নিজস্ব প্রতিবেদক ।। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদক নির্মূল ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সনজিত চন্দ্র নাথ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেশাদারত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
এর আগে বিএমপির কাউনিয়া থানায় দায়িত্ব পালনকালে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ। তাঁর নেতৃত্বে কাউনিয়া থানা এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।
সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার বন্দর থানা এলাকাতেও মাদক, চুরি, ছিনতাই, কিশোর অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে চান তিনি।
পুলিশি কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও সামাজিক সম্পৃক্ততাকেও অপরাধ প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এ লক্ষ্যে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষ করে তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখা এবং অপরাধমুক্ত সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলতে পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন তিনি।
ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম দায়িত্ব। মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান কঠোর। অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। পাশাপাশি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা ও সহযোগিতা বাড়াতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বন্দর থানা এলাকার মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে বসবাস করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে। অপরাধের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানান।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, পুলিশের নিয়মিত অভিযান, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং জনসম্পৃক্ত পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার হলে বন্দর থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি ঘটবে। একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত বন্দর থানা গড়ে তুলতে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।